ভূজপুর থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাগানবাজার ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব লোকমানের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বাগানবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন নয়নকে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
গতকাল বেলাল হোসেন নয়নকে মারধরের অভিযোগ ওঠার পর ইউনিয়ন বিএনপি, থানা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এর প্রতিবাদ জানান। এ সময় লোকমানের অতীত আচরণ নিয়েও সমালোচনার ঝড় ওঠে।
বাগানবাজার গ্রাফের পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন নেতাকর্মীর অভিযোগ অনুযায়ী, লোকমানকে বিভিন্ন সময় ফেসবুকে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করতে দেখা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কখনো কাউকে “দালাল”, “গুপ্তচর”, “মাদক কারবারি”, “জামায়াতের এজেন্ট” কিংবা “আওয়ামী লীগের এজেন্ট” বলে মন্তব্য করেছেন। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নেতাকর্মীদের পরিবার-পরিজন নিয়েও কটূক্তি করার অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতাকর্মী দাবি করেন, লোকমান একজন নিয়মিত মাদকসেবী। তাদের অভিযোগ, মাদকাসক্ত বা মাতাল অবস্থায় তিনি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অশালীন, আক্রমণাত্মক ও উসকানিমূলক মন্তব্য করে থাকেন। তাদের ভাষ্যমতে, এ ধরনের মন্তব্য করার পর অনেক সময় তাকে সেগুলো মুছে ফেলতেও দেখা যায়।
একাধিক নেতাকর্মী জানান, এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। পূর্বেও বিভিন্ন সময় লোকমানকে একই ধরনের মন্তব্য করতে দেখা গেছে। তার এমন আচরণে দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনায় লোকমান বেলাল হোসেন নয়নকে একজন ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে দাবি করেছেন বলে জানা যায়। তবে তার এ দাবির পক্ষে কোনো তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ্যে উপস্থাপন করা হয়নি। নয়নের সমর্থকদের দাবি, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আড়াল করতেই তিনি এ ধরনের বক্তব্য প্রচার করছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে লোকমানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ভবিষ্যতে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
এখনো কোনো মতামত নেই। প্রথম মতামত দিন!